জিসান হত্যা: হাসিনা-জয়সহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত আব্দুর রহমান জিসান হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাউছার হুসাইন গত ৮ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্রে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক মন্ত্রী, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা এবং পুলিশের সাবেক কর্মকর্তাসহ ২৯ জনকে আসামি করে আদালতে দিয়েছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।

অভিযোগপত্রে শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয় ছাড়াও আসামির তালিকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, আনিসুল হক ও জাহাঙ্গীর কবীর নানকের নাম রয়েছে।

এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু ও মশিউর রহমান সজল, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ঢাকার সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ, র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হারুন অর রশীদ, সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার এবং যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসানকেও আসামি করা হয়েছে।

আসামির তালিকায় আরও আছেন যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ খান মুন্না, যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, মেহেদী হাসান সুমন, শান্ত নূর খান, রবিউল ইসলাম হেলালী, সাবেক কাউন্সিলর সফিকুল ইসলাম খান দিলু, আবুল কালাম অনু, সাবেক কমিশনার মোস্তাক আহমেদ, যুবলীগ নেতা ফয়সাল খন্দকার ও জাহাঙ্গীর আলম।

জুলাই আন্দোলনের সময় আসামিদের কার কী ভূমিকা ছিল, সে বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্যও অভিযোগপত্রে তুলে ধরা হয়েছে।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৬ অক্টোবর দিন রেখেছেন বলে প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন জানিয়েছেন।