বিমান ও পর্যটন খাতে গতি আনতে চান রশিদুজ্জামান মিল্লাত

নতুন নেতৃত্বে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতকে আরও গতিশীল করার ঘোষণা দিয়েছেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দূর করাকে নিজের প্রথম কাজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে মন্ত্রণালয়ে যোগদানের পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, রদবদল একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। নতুন নেতৃত্বে আমরা টিম তৈরির মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের কাজগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

কাজের সুবিধার্থে সপ্তাহের পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে একদিন সিভিল এভিয়েশন বা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে অফিস করার ইচ্ছার কথাও জানান তিনি।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ভালো কাজের জন্য যেমন পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে, তেমনি খারাপ কাজের জন্য তিরস্কারের ব্যবস্থাও রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কাজ আরও গতিশীল করতে প্রচলিত আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে কাজ করতে হবে। উদ্ভাবনী পরিকল্পনা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের ১৬ ডিসেম্বর ‘সফট ওপেনিং’ করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। এ জন্য আগামী সেপ্টেম্বরে একটি জাপানি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আগামী বছর ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর জন্যও কাজ চলছে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে শিগগিরই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে লিজ নেওয়া ১০টি বিমান যুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

ঈশ্বরদী বিমানবন্দর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাবনার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য তেজস্ক্রিয় সামগ্রী পরিবহনের সুবিধার্থে শিগগিরই ফ্লাইট চালুর বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।

যশোর বিমানবন্দরে বাণিজ্যিক ফ্লাইট কমে যাওয়ার প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সঙ্গে ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া বগুড়া বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) চলছে বলেও জানান তিনি। আগামী অক্টোবরের মধ্যে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন এই মন্ত্রী।