পটুয়াখালীতে শিবু লাল দাসের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য মেলেনি

হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে শিবু লাল দাস?

সি.পি. ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি: পটুয়াখালী জেলার পুরান বাজার এলাকার বাসিন্দা শিবু লাল দাসের কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা ও অভিযোগ রয়েছে। পটুয়াখালী ও গলাচিপা উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিগত সরকারের আমলে টেন্ডারবাজির মাধ্যমে শিবু লাল দাস বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, উপার্জিত ওই অর্থের একটি অংশ হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচার করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট নথিপত্র বা আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি যথাযথ তদন্ত ও যাচাইয়ের দাবি রাখে।

লোক দেখানোর জন্য বাড়িঘর নির্মাণের অভিযোগঃ স্থানীয়দের দাবি, দৃশ্যমান সম্পদের চিত্র দেখানোর জন্য পটুয়াখালীর পুরান বাজার এলাকায় শিবু লাল দাস বাড়িঘর নির্মাণ করেছেন। এ ছাড়া গলাচিপা উপজেলায় নদীর এপারে একটি পাঁচতলা এবং অপর পাড়ে আরও একটি পাঁচতলা বাড়ি নির্মাণ করে রেখেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, এসব সম্পদের অর্থের উৎস কী এবং এর সঙ্গে কোনো অনিয়ম বা অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সম্পর্ক রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দার বক্তব্যঃ ক্রাইম পেট্রোল বিডিকে মুঠোফোনে এসব বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহিম হাওলাদার। তিনি শিবু লাল দাসের বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন এবং হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে অর্থ পাচারের অভিযোগ করেন।

তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

বক্তব্য পাওয়া যায়নিঃ হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে শিবু লাল দাসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচার, সম্পদের প্রকৃত উৎস এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে সি.পি. ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি।

—অনুসন্ধান চলমান