চট্টগ্রাম মহানগর

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় কঠোর লকডাউনে বন্দরনগরী

রাজিব শর্মা, চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ সারাদেশে চলমান সাত দিনব্যাপী সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় দেশব্যাপী এ লকডাউন ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। সরকার নির্দেশিত কঠোর বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিনে আজ শুক্রবার (২ জুলাই) বন্দরনগরী চট্টগ্রাম ও আশেপাশের উপজেলার রাস্তাঘাট অনেকটা ফাঁকা।

ব্যক্তিগত যানবাহন ও জরুরি সেবার আওতাভুক্ত নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন ছাড়া তেমন কোনো পরিবহন চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে না। তবে প্রচুর রিক্সা চলাচল করছে নগরীতে। মহাসড়কগুলোতে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল রয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে মহাসড়কে অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নগরীর প্রবেশ পথগুলোতে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীও অবস্থান করেছে। নগরীর বিভিন্ন প্রবেশপথে তল্লাশি শুরু করে সেনাবাহিনী। নগরীর প্রবেশদ্বার আরাকান রোড ও পিএবি রোড ছাড়াও জেলার ৭টি মূল প্রবেশ পথ যথাক্রমে আরাকান রোড, পিএবি রোড -সাতকানিয়ার কেরাণী হাট, ফৌজদারহাট, জোরারগঞ্জ নগরীর অক্সিজেন, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, মইজ্যার টেক ও বায়েজিদ লিংক রোড এলাকায় পুলিশের উদ্যোগে চেকপোষ্টে কঠোর তল্লাশি চলছে।

বন্দরনগরী জুড়ে সেনাবাহিনীর ৬টি টিম কাজ করছে। এছাড়া বিজিবির ৬টি টিমও নগরজুড়ে টহল দিচ্ছে। মাঠে আছে পুলিশ প্রশাসন। আজ সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের সঙ্গে ১০০ স্বেচ্ছাসেবক সহযোগিতা করেছন। উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনাররা (ভূমি) ও পুলিশ কর্মকর্তারা।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক বলেন, নগরীর সাতটি প্রবেশমুখে পুলিশের চেকপোস্ট কঠোর নজরধারীতে রাখা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের ১২ জন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের ১২টি টিম নগরীর বিভিন্নস্থানে  টহলে দিচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারীতে থাকবে চেকপোস্টগুলো।