নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি গঠনকে ঘিরে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে শীর্ষ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয়তা এবং দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভূমিকার কারণে আলোচনায় উঠে এসেছে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, সমাজ সেবক, রশিদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম কফিল উদ্দিন আহমেদের নাম।
দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় এম কফিল উদ্দিন আহমেদ বিভিন্ন কর্মসূচিতে মাঠে থেকে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাঁকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।
দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে রাজপথে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। আন্দোলন-সংগ্রামের সময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকা এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের বিষয়ে খোঁজ রাখার বিষয়টিও স্থানীয় নেতাকর্মীদের আলোচনায় রয়েছে।
এম কফিল উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ঢাকা-১৮ আসনের বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির কর্মসূচি, উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি উত্তরা এলাকায় বিএনপির ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচিতেও তাঁর নেতৃত্বের কথা সংবাদে এসেছে।
ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন এলাকায়ও তিনি ধারাবাহিকভাবে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। একটি উঠান বৈঠকে তিনি জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন বক্তব্যে এম কফিল উদ্দিন বিএনপির রাজনীতিতে সম্প্রীতি, সহযোগিতা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
২০২৪ সালের নভেম্বরে অনুমোদিত ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে এম কফিল উদ্দিন আহমেদকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়। বিএনপির প্রকাশিত কমিটির তালিকাতেও তাঁর নাম যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছে।
তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মীর ভাষ্য, মাঠপর্যায়ে নিয়মিত উপস্থিতি, নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে এম কফিল উদ্দিন আহমেদকে তারা গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে দেখছেন। নতুন কমিটিতে তাঁর ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে তাই মহানগর উত্তর বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।


