বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ শতাংশ করারোপের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকঃ বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেসরকারি ব্যবস্থাপনার উচ্চশিক্ষায় ১৫ শতাংশ করারোপের প্রস্তাবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান। প্রস্তাবিত ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এই বাড়তি কর শিক্ষার্থীদের থেকে আদায় করবে। এতে উচ্চশিক্ষায় ব্যয় বাড়বে। করোনা পরিস্থিতিতে অনেক অভিভাবক বাড়তি ব্যয় নির্বাহে সক্ষম নয়।’

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) প্রস্তাবিত ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে বিকল্প ধারা বাংলাদেশের এই এমপি এসব কথা বলেন।

বাজেট গণবান্ধব করতে হলে কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন প্রয়োজন উল্লেখ করে এমপি মান্নান বলেন, ‘করোনার প্রভাবে মধ্যবিত্ত শ্রেণির আয় কমেছে, বেকার হয়েছে অনেকে। কিন্তু সংসারের খরচ কমেনি। বরং করোনার মধ্যে সন্তানকে অনলাইনে ক্লাস করার জন্য ইলেকট্রনিক গ্যাজেট কিনতে বাড়তি খরচ করতে হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্কসহ স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী নিত্যপণ্যে পরিণত হয়েছে। সেই তুলনায় মধ্যবিত্তদের সুবিধা নিতে আয়কর সীমা বাড়ানো হয়নি। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করছি।’

স্বাস্থ্যখাতের সমালোচনা করে এমপি মান্নান বলেন, ‘স্বাস্থ্যখাত মানুষের ন্যূনতম চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এই খাতে অনেক অনিয়ম ও অসঙ্গতি জনগণ প্রত্যক্ষ করেছে। চলতি অর্থবছরে এডিপির টাকা খরচের সবচেয়ে হতাশার চিত্র দেখা গেছে এ মন্ত্রণালয়ে। এমন গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় সক্ষমতার অভাব কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।’

বিকল্প ধারার মহাসচিব মান্নান বলেন, ‘এডিপি বাস্তবায়নের চিত্র হতাশাজনক। ১১ মাসে বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৫৮ শতাংশ। বছরের শুরুতে আশানুরূপ খরচ হবে না। আর শেষ দু-তিন মাসে খরচের হিড়িক পড়বে। এটা যেন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। এ কারণে উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।’