দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, জাপান সাগরে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্স থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের ক্রিপ্টো সম্পদ চুরির ঘটনায় পিয়ংইয়ংয়ের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করার কয়েক ঘণ্টা পরই এসব ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ জানায়, উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলের সন্ডক এলাকা থেকে জাপান সাগরের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ শনাক্ত করা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের বিস্তারিত তথ্য বিশ্লেষণ করছে বলেও জানানো হয়েছে।
এক মাসের মধ্যে এটি পিয়ংইয়ংয়ের চতুর্থ দফার অস্ত্র পরীক্ষা। এর আগের দিন বাইন্যান্সে সাইবার হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে উত্তর কোরিয়া। এ ঘটনায় উত্তর কোরীয় হ্যাকারদের দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের দেওয়া ঘোষণাকে ‘গতানুগতিক উসকানি’ বলে আখ্যায়িত করে দেশটি।
বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্স গত শুক্রবার জানায়, হ্যাকাররা তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের ক্রিপ্টো সম্পদ চুরি করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি এখন পর্যন্ত নথিভুক্ত সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির ঘটনা।
পরে এফবিআই জানায়, উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এ সাইবার হামলার জন্য ‘ট্রেডারট্রেইটর’ নামে পরিচিত একটি হ্যাকিং গোষ্ঠীকে দায়ী করে সংস্থাটি। গত বছর বাইবিট এক্সচেঞ্জে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের সাইবার হামলার পেছনেও এই গোষ্ঠী ছিল বলে জানিয়েছে এফবিআই।
বুধবার ভোরে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং বলেন, এফবিআইয়ের এই ঘোষণাকে পিয়ংইয়ং উত্তর কোরিয়ার প্রতি ওয়াশিংটনের ‘অপরিবর্তিত বৈরী নীতির সম্প্রসারণ’ হিসেবে দেখছে।
যুক্তরাষ্ট্র এই নীতি পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো সংলাপে বসার সম্ভাবনাও নাকচ করে দেন তিনি।
সূত্র: আল জাজিরা


