আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোটকে কেন্দ্র করে স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কাতালানদের টান টান উত্তেজনার মধ্যে ভোটকেন্দ্রের সামনে ভোটাররা সারি দেওয়া শুরু করেছে।
স্পেন সরকার এ গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করে অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু বাধা উপেক্ষা করে ভোর বেলায় বার্সেলোনার রাস্তায় ও ভোটকেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে কাতালানরা।
স্থানীয় সময় রোববার সকাল থেকে কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোটের ভোট গ্রহণ হওয়ার কথা। কিন্তু স্পেন সরকার দাবি করেছে, ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত অধিকাংশ স্কুল সিলগালা করে দিয়েছে পুলিশ। কিন্তু কাতালোনিয়ার নেতারা বলেছেন, ভোট হবে।
রোববার সকাল ৯টা থেকে ভোটকেন্দ্র খোলার কথা। ভোটকেন্দ্রগুলো কেন্দ্রীয় সরকারের বাহিনী যাতে দখল করে না নিতে পারে, সেজন্য সেখানে অবস্থান নেয় কয়েক শত কাতালান পরিবার। শনিবার বেশির ভাগ পরিবারকে বের করে দেয় পুলিশ।
তবে বিবিসি জানিয়েছে, ১৬০টি স্কুল (ভোটকেন্দ্র) এখনো কাতালান পরিবারের দখলে রয়েছে। মোট ভোটকেন্দ্র ২ হাজার ৩১৫টি, যার মধ্যে ১ হাজার ৩০০টির মতো দখলে নিয়েছে পুলিশ। তবে এত বাধা সত্ত্বেও হাজার হাজার কাতালান রোববার ভোট দিতে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বার্সেলোনাসহ কাতালোনিয়া অঞ্চলে গণভোটের পক্ষে সমর্থন বেশি। তবে বিরোধিতাও আছে। শনিবার সন্ধ্যায় বার্সেলোনায় গণভোটের বিরুদ্ধে সমাবেশ হয়েছে। স্পেনের ঐক্য ও অখণ্ডার পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে তারা। কিন্তু স্বাধীনতাকামীদের দাবি, কাতালানদের করের অর্থে ফুলে ফেঁপে উঠছে মাদ্রিদ সরকার। সে তুলনায় উন্নয়ন হচ্ছে না কাতালোনিয়ায়। ফলে তারা স্বাধীনতা চায়।
এদিকে, গণভোটের পক্ষে প্রচার ঠেকাতে বার্সেলোনার আঞ্চলিক টেলিকমিউনিকেশন ভবন দখল করে নিয়েছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী। স্পেনের সাংবিধানিক আদালত এ গণভোটকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
তথ্যসূত্র : রয়টার্স ও বিবিসি অনলাইন


