সি.পি. ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি | ক্রাইম পেট্রোল বিডিঃ বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার সোনাহাটা-বরইতলী এলাকার নিমগাছী ভূমি অফিসে কর্মরত সরকারি কর্মচারী জেসমিন আক্তারের একাধিক বিবাহ, অর্থ লেনদেন ও মামলা দায়েরকে কেন্দ্র করে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মালয়েশিয়াপ্রবাসী আমিনুল ইসলাম ক্রাইম পেট্রোল বিডির বার্তা বিভাগে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন।
অভিযোগে আমিনুল ইসলাম উল্লেখ করেন, জেসমিন আক্তারের প্রথম স্বামীর ঘরে। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। সৌদি আরবে প্রবাসজীবন কাটানোর সময় তিনি কষ্টে অর্জিত অর্থ ভালোবেসে স্ত্রী জেসমিনের হাতে তুলে দিতেন। পরবর্তী সময়ে প্রবাস থেকে দেশে ফিরে তিনি জানতে পারেন, জেসমিন বগুড়া জেলার বাগবাড়ি এলাকার মালয়েশিয়াপ্রবাসী আরেক আমিনুল ইসলামের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, দ্বিতীয় স্বামী হিসেবে তাঁর সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর সংসার করার সময় জেসমিন তাঁর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা নেন। পরবর্তী সময়ে মমিন মিয়া নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে তাঁকে গোপনে তালাক দিয়ে নতুন করে সংসার শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আমিনুল ইসলামের দাবি, বিষয়টি মেনে নিয়ে তিনি তাঁর দেওয়া অর্থ ফেরত চান। কিন্তু জেসমিন টাকা ফেরত দিতে রাজি হননি বলে অভিযোগ করেন তিনি। বরং বেশি বাড়াবাড়ি করলে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয় বলে আমিনুলের অভিযোগ।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জেসমিন আক্তার আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে বগুড়ার গাবতলী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে মামলার নম্বর ৬৩৩ পি/২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে।
আমিনুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন। গত ১৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তিনি মালয়েশিয়া থেকে ক্রাইম পেট্রোল বিডির বার্তা বিভাগ বরাবর লিখিত অভিযোগ পাঠান।
অভিযোগের বিষয়ে জেসমিন আক্তারের বক্তব্য জানতে ক্রাইম পেট্রোল বিডির বার্তা বিভাগ থেকে তাঁর কাছে লিখিত বক্তব্য চেয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি সোনাহাটা-বরইতলী ভূমি অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ধুনট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বগুড়ার জেলা প্রশাসক, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে।
এখন দেখার বিষয়, অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও আদালতের রেকর্ড যাচাই এবং জেসমিন আক্তারের বক্তব্য গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।
অনুসন্ধান চলমান………….


